• ই-পেপার

কলাবাগানে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু

যাত্রাবাড়ী থেকে বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ১৯

অনলাইন ডেস্ক
যাত্রাবাড়ী থেকে বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ১৯

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার থানার বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

আজ শুক্রবার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশের এই অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে দুটি টরাস ব্র্যান্ডের পিস্তল, চারটি ম্যাগাজিন ও ৭৭ রাউন্ড তাজা গুলি, ৫৯ গ্রাম হেরোইন, হেরোইন তৈরিতে ব্যবহৃত ৮৭ গ্রাম মেডি, নগদ ২২ হাজার ৯৬০ টাকা এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত চারটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, গ্রেফতারদের মধ্যে নিয়মিত ও পরোয়ানাভুক্ত মামলার আসামি, অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত ব্যক্তি, জুয়াড়ি ও বিভিন্ন অপরাধে জড়িত অপরাধী রয়েছে। গ্রেফতারদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
 

শীর্ষ সন্ত্রাসী অটো সজল ৩ সহযোগীসহ গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক
শীর্ষ সন্ত্রাসী অটো সজল ৩ সহযোগীসহ গ্রেপ্তার

রাজধানীর ওয়ারী এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী ইসমাইল হোসেন ওরফে সজল ওরফে অটো সজলসহ তার তিন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে বিপুলপরিমাণ অস্ত্র, গুলি, হেরোইন ও মাদক বিক্রির টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এতথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এসএন নজরুল ইসলাম।

গ্রেপ্তাররা হলেন ইসমাইল হোসেন ওরফে সজল ওরফে অটো সজল (৩১), মো. বাপ্পী (২৮), মো. হানিফ (৪০) ও মোছা. শামসুন্নাহার (৪৫)।

সংবাদ সম্মেলনে নজরুল ইসলাম জানান, গত ২ মার্চ মাদক উদ্ধার ও অপরাধী গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে পরিচালিত বিশেষ অভিযানের সময় ৩-৪ জন অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতকারী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এক পরিদর্শককে পায়ে গুলি করে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ওয়ারী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।

মামলার তদন্তে ওয়ারী থানা পুলিশ প্রথমে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে এবং তাদের কাছ থেকে তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করে। পরে আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে তারা জানায়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তার ওপর হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্রটি সরবরাহ করেছিল ওয়ারীর শীর্ষ সন্ত্রাসী অটো সজল। এরপর থেকেই তাকে গ্রেপ্তারে ওয়ারী বিভাগের বিভিন্ন থানা পুলিশ ধারাবাহিক অভিযান শুরু করে।

ডিএমপির এই কর্মকর্তা জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাত ৯টা ১০ মিনিটের দিকে যাত্রাবাড়ী থানার একটি দল সায়েদাবাদ এলাকায় অভিযান চালিয়ে অটো সজলকে গ্রেপ্তার করে। তার বিরুদ্ধে ডিএমপির বিভিন্ন থানায় ১১টি মামলা রয়েছে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সজল স্বীকার করে, গেন্ডারিয়া থানার স্বামীবাগ এলাকায় তার ভাড়া বাসায় বিপুলপরিমাণ অস্ত্র ও মাদক মজুত রয়েছে। পরে রাত ৯টা ৫০ মিনিটের দিকে ওই বাসায় অভিযান চালিয়ে তার আরো তিন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অভিযানে বাসা থেকে দুটি ‘টরাস’ ব্র্যান্ডের পিস্তল, চারটি ম্যাগাজিন, ৭৭ রাউন্ড তাজা গুলি, ৫৯ গ্রাম হেরোইন, হেরোইন তৈরির কাজে ব্যবহৃত ৮৭ গ্রাম ‘মেডি’, মাদক বিক্রির ২২ হাজার ৯৬০ টাকা এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত চারটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা দায়েরের পাশাপাশি পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
 

পোস্তগোলায় মাইক্রোবাসের ধাক্কায় পথচারী নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক
পোস্তগোলায় মাইক্রোবাসের ধাক্কায় পথচারী নিহত
প্রতীকী ছবি

রাজধানীর শ্যামপুরের পোস্তগোলায় মাইক্রোবাসের ধাক্কায় অজিত বাবু (৫৫) নামে এক পথচারী নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার (১৯ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে পোস্তগোলা যাত্রী ছাউনির সামনে রাস্তা পার হওয়ার সময় একটি হাইয়েস মাইক্রোবাস তাকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।

পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

কদমতলীতে ছুরিকাঘাতে সবজি বিক্রেতা নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক
কদমতলীতে ছুরিকাঘাতে সবজি বিক্রেতা নিহত

রাজধানীর কদমতলীতে ছুরিকাঘাতে আব্দুল কুদ্দুস (৫০) নামে এক সবজি বিক্রেতা নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাত সাড়ে ১০টার দিকে জুরাইনের নবারুণ গলিতে এ ঘটনা ঘটে।

গুরুতর আহত অবস্থায় কুদ্দুসকে উদ্ধার করে রাত পৌনে ১২টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের মা রানু বেগম জানান, রাতে নবারুণ গলির একটি চায়ের দোকানের সামনে কুদ্দুস বসে ছিলেন। এ সময় কয়েক যুবক তাকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। ওই যুবকদের সঙ্গে কুদ্দুসের পূর্বপরিচয় ছিল।

তিনি বলেন, প্রায় এক সপ্তাহ আগে তাদের মধ্যে একটি বিষয় নিয়ে তর্কবিতর্ক হয়েছিল। তবে হামলাকারীদের নাম-পরিচয় তিনি জানেন না।

কদমতলী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সোহেল রানা বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে।

তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মাদকসংক্রান্ত বিরোধের জেরে বন্ধুদের মধ্যকার পূর্বের দ্বন্দ্ব থেকে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে। তবে প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে।

নিহত কুদ্দুসের বাড়িওয়ালা কামাল শিকদার বলেন, প্রায় এক সপ্তাহ আগে স্থানীয় মনির ও ফিরোজ নামের দুই ব্যক্তির সঙ্গে কুদ্দুসের বিরোধ হয়। কুদ্দুস তাদের বিরুদ্ধে মাদক বিক্রির অভিযোগ তুলে প্রতিবাদ করেছিলেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই বিরোধের সূত্রপাত হয় বলে স্থানীয়দের ধারণা।

আব্দুল কুদ্দুসের বাড়ি মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায়। তিনি পূর্ব জুরাইনে পরিবারের সঙ্গে ভাড়াবাসায় বসবাস করতেন। তার বাবা আব্দুল মালেক মারা গেছেন। কুদ্দুস দুই মেয়ের জনক ছিলেন।