• ই-পেপার

তৃতীয় দফায় পেছাল শিশু আসমা হত্যা মামলার রায়

মির্জা ফখরুল

রাজনীতিবিদদের ভুল ধরে সঠিক পথ দেখানো সাংবাদিকদের দায়িত্ব

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
রাজনীতিবিদদের ভুল ধরে সঠিক পথ দেখানো সাংবাদিকদের দায়িত্ব
সংগৃহীত ছবি

রাজনীতিবিদদের ভুল-ত্রুটি ধরে সঠিক পথ দেখানো সাংবাদিকদের দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, সাংবাদিকরা সাদাকে সাদা এবং কালোকে কালো বলবেন। যে দেশের গণমাধ্যম যত শক্তিশালী, সে দেশের গণতন্ত্র তত শক্তিশালী। 

শুক্রবার (৩ জুলাই) দুপুরে ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের আনিসুল হক মিলনায়তনে প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, রাজনীতিবিদরা সমালোচনার ঊর্ধ্বে নন। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করতে গিয়ে ভুল-ত্রুটি হতেই পারে। সেই ভুল তুলে ধরিয়ে দিয়ে জবাবদিহিতা নিশ্চিত গণমাধ্যমের দায়িত্ব। এই সংবাদ প্রকাশের জন্য অনেক সময় সাংবাদিকরা হামলা ও হয়রানির শিকার হন, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি আরো বলেন, ব্যক্তি নয়, কাজকে মূল্যায়ন করতে হবে। যারা ভালো কাজ করবেন, তাদের সাফল্য যেমন তুলে ধরতে হবে, তেমনি অনিয়ম, দুর্নীতি ও জনস্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধেও নির্ভয়ে সংবাদ প্রকাশ করতে হবে।

সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ে দুটি নতুন উপজেলা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এবং এ-সংক্রান্ত কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। তবে শুধু অবকাঠামো নির্মাণ করলেই চলবে না, উপজেলা পরিচালনায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সাল আমিন, সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী, ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত সভাপতি ও এনটিভির স্টাফ রিপোর্টার লুৎফর রহমান মিঠু, সাধারণ সম্পাদক ও একাত্তর টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার তানভীর হাসান তানুসহ জেলার প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
 

একই দিনে দুই নারীর রহস্যজনক মৃত্যু, থানায় পৃথক অপমৃত্যুর মামলা

পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:
একই দিনে দুই নারীর রহস্যজনক মৃত্যু, থানায় পৃথক অপমৃত্যুর মামলা
ছবি: কালের কণ্ঠ

চট্টগ্রামের পটিয়ায় একই দিনে দুই নারীর অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। একজনকে কবরস্থান থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর মৃত্যু হয়। অন্যজনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয় শ্বশুরবাড়ি থেকে।

এর মধ্যে কুসুমপুরা ইউনিয়নের কবরস্থান থেকে উদ্ধার হওয়া তরুণীর পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশ। তিনি সুমী আক্তার (২১)। অন্যদিকে কোলাগাঁও ইউনিয়নে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় উদ্ধার হওয়া গৃহবধূর নাম সোনিয়া আক্তার (৩০)।

পৃথক এ দুই ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাতে পটিয়া থানায় দুটি অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পটিয়া থানার ওসি (তদন্ত) যুযুৎসু যশ চাকমা। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন, পারিবারিক তথ্য, ঘটনাস্থলের আলামত ও স্বজনদের বক্তব্য বিশ্লেষণ করছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পটিয়া উপজেলার কুসুমপুরা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ল্যাংগার দোকানসংলগ্ন কবরস্থান থেকে অচেতন অবস্থায় এক তরুণীকে উদ্ধার করেন স্থানীয়রা। পরে তাকে দ্রুত পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর ২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

প্রথমে ওই তরুণীর পরিচয় জানা না গেলেও পরে স্বজনরা তাকে সুমী আক্তার (২১) হিসেবে শনাক্ত করেন। তিনি কর্ণফুলী উপজেলার চরলক্ষ্যা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর চরলক্ষ্যা এলাকার মো. আইয়ুব আলীর মেয়ে এবং মো. আব্দুল্লাহর স্ত্রী।

নিহত সুমীর চাচাতো ভাই মো. শওকত জানান, প্রায় তিন মাস আগে পাশের এলাকায় সুমীর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তিনি মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন বলে পরিবারের দাবি। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে সুমী বাবার বাড়ি থেকে কাউকে কিছু না বলে বেরিয়ে যান। দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজির পর বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি পোস্ট দেখে পরিবার জানতে পারে, পটিয়ার কুসুমপুরা এলাকার একটি কবরস্থান থেকে অচেতন অবস্থায় এক তরুণীকে উদ্ধার করা হয়েছে। পরে হাসপাতালে গিয়ে তারা নিশ্চিত হন, তিনিই সুমী।

স্থানীয়দের তথ্যমতে, সুমীকে উদ্ধারের সময় তার পাশ থেকে একটি বিষের বোতল পাওয়া যায়। এতে প্রথমে বিষপানের সন্দেহ তৈরি হয়। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকেরা প্রাথমিক পরীক্ষায় বিষক্রিয়ার কোনো সুস্পষ্ট আলামত পাননি।

অন্যদিকে, একই দিন উপজেলার কোলাগাঁও ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ছবির মার্কেট এলাকার আনোয়ার শাহ মাজারসংলগ্ন নিজ বাড়িতে সোনিয়া আক্তার (৩০) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ পাওয়া যায়। তিনি ওই এলাকার মো. নুর ইসলামের স্ত্রী এবং নুর মোহাম্মদের মেয়ে।

পরিবারের সদস্যদের তথ্যমতে, বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা থেকে ১টার মধ্যে কোনো এক সময় এ ঘটনা ঘটে। ওই সময় সোনিয়া সন্তানদের নিয়ে বাড়িতে ছিলেন। পরে পরিবারের অন্য সদস্যরা খাবার খেতে এসে শয়নকক্ষে তাকে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলতে দেখেন।

দ্রুত তাকে উদ্ধার করে প্রথমে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে মরদেহ আবার বাড়িতে নেওয়া হয়। খবর পেয়ে বিকেল ৫টার পর পটিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

একই দিনে দুই নারীর এ মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সুমী কীভাবে কর্ণফুলী থেকে পটিয়ার কুসুমপুরার কবরস্থানে পৌঁছালেন, তার পাশের বিষের বোতলটি কোথা থেকে এলো এবং তিনি আদৌ বিষপান করেছিলেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। একই ভাবে কোলাগাঁওয়ের গৃহবধূ সোনিয়া আক্তারের মৃত্যুর পেছনে পারিবারিক কলহ, মানসিক চাপ নাকি অন্য কোনো কারণ রয়েছে, সেটিও তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।

পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়াউল হক বলেন, একই দিনে দুই নারীর মৃত্যুর ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে পৃথকভাবে দুটি অপমৃত্যুর মামলা করেন। কুসুমপুরা থেকে উদ্ধার হওয়া সুমী আক্তারের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে কোলাগাঁওয়ের সোনিয়া আক্তারের মৃত্যুর ঘটনাও তদন্তাধীন রয়েছে।

তিনি আরো জানান, দুই ঘটনাতেই পরিবারের সদস্য, স্থানীয় লোকজন ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। কোনো ধরনের অসঙ্গতি, পারিবারিক দ্বন্দ্ব, আত্মহত্যা কিংবা অপরাধমূলক সংশ্লিষ্টতা আছে কি না, সেগুলোও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

দুটি মরদেহই চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। শুক্রবার ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। এখনো পর্যন্ত কোনো পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

পিরোজপুরে ইউসুফ হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

পিরোজপুর প্রতিনিধি
পিরোজপুরে ইউসুফ হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার আলোচিত ইউসুফ শরীফ হত্যা মামলার প্রধান আসামি আরাফাত শরীফকে (৩০) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। শুক্রবার (৩ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে র‌্যাব-৮ এ তথ্য জানায়।

র‌্যাব জানায়, বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেলে খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়ি উপজেলার পুরাতন উপজেলা ভবনের সামনে থেকে যৌথ অভিযানে আরাফাত শরীফকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানে অংশ নেয় র‌্যাব-৮-এর সিপিএসসি, বরিশাল, র‌্যাব-৭-এর সদর কম্পানি, চট্টগ্রাম এবং র‌্যাব-৭-এর সিপিসি-১, ফেনী ক্যাম্প।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিহত ইউসুফ শরীফ (৩৫) ও গ্রেপ্তার হওয়া আরাফাত শরীফ একই গ্রামের বাসিন্দা। পূর্ববিরোধের জেরে গত ২৪ মে দুপুরে ইউসুফকে ডেকে নিয়ে মঠবাড়িয়া উপজেলার ধানিসাফা ইউনিয়নের ফুলঝুড়ি গ্রামের একটি বাড়ির উঠানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা ফজলুল হক শরীফ বাদী হয়ে মঠবাড়িয়া থানায় হত্যা মামলা করেন।

র‌্যাব জানায়, ঘটনার পর থেকেই তারা ছায়া তদন্ত শুরু করে। গোয়েন্দা তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া আরাফাত শরীফকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ফেনী সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

নড়াইলে প্রতিবন্ধী আনোয়ার হত্যা মামলার ১ আসামি গ্রেপ্তার

নড়াইল প্রতিনিধি
নড়াইলে প্রতিবন্ধী আনোয়ার হত্যা মামলার ১ আসামি গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি

নড়াইলে চোর সন্দেহে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতনের পর নিহত প্রতিবন্ধী যুবক আনোয়ার মোল্যা হত্যা মামলার এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৩ জুলাই) ভোরে যশোর জেলার নারকেলবাড়িয়া থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তার হওয়া আসামির নাম আকাশ বিশ্বাস (২৫)। তিনি নড়াইল সদর উপজেলার গোবরা মালোপাড়ার প্রভাষ বিশ্বাসের ছেলে।

নড়াইল সদর উপজেলার বাঁশগ্রাম ইউনিয়নের সরকেলডাঙ্গা গ্রামের কাওছার উদ্দিন মোল্যার ছেলে প্রতিবন্ধী আনোয়ার খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আট দিন ধরে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় ২ জুলাই সকালে মারা যান। ওই দিন বিকালে মৃতদেহ বাড়িতে পৌঁছায়। সন্ধ্যায় স্থানীয় মাদরাসা প্রাঙ্গণে জানাজা শেষে গ্রামের কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এদিকে, এ ঘটনার প্রতিবাদে ও আসামিদের গ্রেপ্তারসহ দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে বিচারের দাবিতে এলাকাবাসী বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে বাঁশগ্রাম বাজার থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়ে সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে নিহতের বাড়ির সন্নিকটে সরকেলডাঙ্গা মাদরাসার সামনে শেষ হয়। মিছিল শেষে সমাবেশে বক্তব্য দেন নিহতের স্বজন ও স্থানীয় নেতারা।

এর আগে গত ২৪ জুন সকালে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী আনোয়ার বাড়ি থেকে বের হন। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন এলাকায় খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। ওই দিন রাতে সদর উপজেলার গোবরা মালোপাড়ায় আনোয়ারকে চোর সন্দেহে কয়েকজন গাছের সঙ্গে বেঁধে ভোর রাত পর্যন্ত অমানবিক নির্যাতন ও মারধর করে। ২৫ জুলাই সকালে খবর পেয়ে নড়াইল সদর থানা পুলিশ আনোয়ারকে উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। পরিবারের সদস্যরা খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে যান এবং মুমূর্ষু অবস্থায় দেখতে পান। আনোয়ারের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় প্রতিবন্ধী আনোয়ারের ভাই নবীর হোসেন বাদী হয়ে ৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনাম আরো কয়েকজনের বিরুদ্ধে নড়াইল সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। 

নড়াইল সদর থানার ওসি অজয় কুমার কুন্ডু জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় আকাশকে যশোর জেলার নারকেলবাড়িয়ায় তার এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। আকাশ পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে খাটের নিচে পালিয়ে ছিলেন। গ্রেপ্তার আকাশ প্রতিবন্ধী আনোয়ার হত্যা মামলার ৪ নম্বর আসামি। ঘটনার পর থেকে আকাশ পলাতক ছিলেন। আকাশকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।