• ই-পেপার

বাউফলে ৪০ লাখ টাকার সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, কাজ বন্ধ করল জনতা

দামুড়হুদায় ট্রেনের ধাক্কায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী নিহত

দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি
দামুড়হুদায় ট্রেনের ধাক্কায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী নিহত
সংগৃহীত ছবি

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় ট্রেনের ধাক্কায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আব্দুল কাদের (২৫) নামের আরো একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সন্ধ্যায় উপজেলার দুধপাতিলা গ্রামের দুধপাতিলা লেভেল ক্রসিং এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহত দুই ব্যক্তির পরিচয় জানা যায়নি।

স্থানীয় সূত্র জানায়, একটি মোটরসাইকেল লেভেল ক্রসিং অতিক্রম করার সময় ট্রেনের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেলের দুই আরোহীর মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় আব্দুল কাদেরকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র রেফার করেন।

আহত আব্দুল কাদের দামুড়হুদা উপজেলার দুধপাতিলা গ্রামের রহিদুল ইসলামের ছেলে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চুয়াডাঙ্গা রেলওয়ে ফাঁড়ি পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) জগদীশ চন্দ্র বসু বলেন, ‘ট্রেনের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। আমি ঘটনাস্থলে যাচ্ছি। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।’

মৌলভীবাজারে বজ্রপাতে একই গ্রামের ৩ জেলের মৃত্যু

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি
মৌলভীবাজারে বজ্রপাতে একই গ্রামের ৩ জেলের মৃত্যু
প্রতীকী ছবি

মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলায় বজ্রপাতে একই গ্রামের ৩ জেলের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে উপজেলার উত্তরভাগ ইউনিয়নের কামালপুর গ্রামের এই তিন বাসিন্দা হাওরে মাছ ধরার সময় বজ্রপাতের শিকার হন।

নিহতরা হলেন উপজেলার কামালপুর গ্রামের বাসিন্দা হামিদ মিয়া (৪৫), সাবির আলী (৪০) এবং কাবিল মিয়া (৫০)। তার মধ্যে কাবিল মিয়া নিখোঁজ রয়েছেন।

নিহত কাবিল ও হামিদ আপন দুই ভাই। তারা রাজনগর উপজেলার উত্তরভাগ ইউনিয়নের কামালপুর গ্রামের জহির মিয়ার ছেলে। নিহত সাব্বির মিয়া একই এলাকার রফিক মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে কামালপুর গ্রাম থেকে একটি নৌকা নিয়ে ওই তিন জেলে হাকালুকি হাওরে মাছ ধরতে যান। দুপুর ১২টার দিকে আকাশ কালো করে ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রপাতের সময় তারা মারা যান।  

একই গ্রামের ৩ জনের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের মাতম চলছে। স্বজনদের আহাজারিতে আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে। নিহত সাবিরের চাচাতো ভাই দেলোয়ার হোসেন জানান, ‘তারা প্রতিদিনের মতো হাকালুকি হাওরে বড়শি দিয়ে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। মাছ ধরা শেষে বাড়ি ফেরার পথে হঠাৎ বজ্রপাতের শিকার হন। 

রাজনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদ উদ্দিন জানান, ‘হাকালুকি হাওরে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে এবং একজন এখনো নিখোঁজ ছিলেন। তার মরদেহ সন্ধ্যায় উদ্ধার করা হয়েছে।’

ফেঞ্চুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জাফর মোহাম্মদ মাহফুজুল কবির বলেন, ‘হাওরে বজ্রপাতে ৩ জন মারা গেছে। তিনজন জেলেরই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।’

জেলা যুবদলের কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে রামগতিতে আনন্দ মিছিল

রামগতি-কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি
জেলা যুবদলের কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে রামগতিতে আনন্দ মিছিল
ছবি : কালের কণ্ঠ

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের নবগঠিত লক্ষ্মীপুর জেলা কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল করেছে রামগতি উপজেলা যুবদল। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিকেলে উপজেলা সদর আলেকজান্ডার বাজারে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

মিছিলটি আলেকজান্ডার বাজারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি হয়। এ সময় বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে পুরো এলাকা স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে।

উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক শিবলী নোমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সদস্য সচিব শাহ মো. শিব্বির, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুল করিম মাস্টার, যুবদল নেতা জমির আলী মাস্টার, আলম হাওলাদারসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

প্রসঙ্গত, গত ১৬ জুন আব্দুল আলীম হুমায়ুনকে সভাপতি এবং সৈয়দ রশিদুল হাসান লিংকনকে সাধারণ সম্পাদক করে ১০১ সদস্যবিশিষ্ট লক্ষ্মীপুর জেলা যুবদলের কমিটি অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় যুবদল।

নবগঠিত কমিটিতে রামগতি উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক শিবলী নোমান ও রামগতি পৌরসভা যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুল করিম মাস্টারকে সহসভাপতি, শাহ মো. শিব্বিরকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, মাহবুবুর রহমান কবিরকে সহ-সাধারণ সম্পাদক, জমির আলী মাস্টারকে সাংস্কৃতিকবিষয়ক সম্পাদক এবং আলম হাওলাদার ও মির্জা নোমানকে সদস্য করা হয়েছে।

নেতাকর্মীরা আশা প্রকাশ করেন, নতুন কমিটির নেতৃত্বে লক্ষ্মীপুর জেলা যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরো গতিশীল হবে।

নবীনগরে রিফাত হত্যা

‘মনেক ডাকাত’ ও তার দুই সন্তানসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
‘মনেক ডাকাত’ ও তার দুই সন্তানসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা
নিহত রিফাত। সংগৃহীত ছবি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার সলিমগঞ্জ ইউনিয়নের বাড়াইল দাসপাড়ায় যুবক রিফাত (২৮) হত্যার ঘটনায় কথিত শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মনেক ডাকাত’ ও তার দুই সন্তানসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে নবীনগর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) নিহত রিফাতের বোন মুক্তা বেগম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় মনেক ডাকাত, তার দুই ছেলে সুমন ও নোমানসহ মোট ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) ওবায়দুর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘নিহতের বোনের দেওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে পুলিশ তদন্ত করছে’।

এর আগে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নরসিংদীর করিমপুর এলাকায় মেঘনা নদী থেকে রিফাতের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে নরসিংদী নৌ পুলিশ। পরদিন বুধবার ময়নাতদন্ত শেষে নিজ গ্রাম থোল্লাকান্দিতে তাকে দাফন করা হয়। নিহত রিফাতের স্ত্রী ও তিন মাস বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, গত রবিবার (১৪ জুন) রাত সাড়ে ১১টার দিকে সলিমগঞ্জ ইউনিয়নের বাড়াইল দাসপাড়ায় সশস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটে। ওই সময় প্রতিপক্ষের মধ্যে গোলাগুলিতে কনিকা দাস (৪০) নামের এক নারী আহত হন। একই ঘটনায় রিফাত নিখোঁজ হন। পরে তার মরদেহ মেঘনা নদী থেকে উদ্ধার করা হয়।

এলাকাবাসীর দাবি, স্থানীয় আধিপত্য বিস্তার, মাদক ব্যবসা ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে কয়েকটি পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এর জের ধরেই এ হামলা ও হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পুলিশ জানিয়েছে, মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।