• ই-পেপার

বিশ্বকাপ উন্মাদনায় কুইজ ও রিচার্জ অফার নগদের

ফিফা বিশ্বকাপ উপলক্ষে এয়ারটেলের বিশেষ ডাটা অফার, আরো যা থাকছে

অনলাইন ডেস্ক
ফিফা বিশ্বকাপ উপলক্ষে এয়ারটেলের বিশেষ ডাটা অফার, আরো যা থাকছে

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর পর্দা উঠল!

বিশ্বকাপ মানেই স্ক্রিনের সামনে শুধু ম্যাচ না, থাকে পিওর ইমোশন, প্যাশন, প্রেডিকশন, টিম ফাইট, লেট নাইট ওয়াচ পার্টি আর গোল হলেই বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে ফুল-অন সেলিব্রেশন! এই হাইপকে আরো লিট করতে এয়ারটেল নিয়ে এসেছে স্পেশাল ডাটা অফার্স, এক্সাইটিং রিওয়ার্ডস আর ফুটবলপ্রেমীদের জন্য একদম নতুন, ফিফা ওয়ার্ল্ডকাপ ফ্যান অ্যান্থেম ‘জিতবো আমরা’!

এয়ারটেল ফিফা ওয়ার্ল্ডকাপ ফ্যান অ্যান্থেম শুনতে ক্লিক : www.facebook.com/reel/979833314657470

এই অ্যান্থেমে থাকছে ফ্যানদের প্যাশন, টিম স্পিরিট আর সেই ক্রেজি ফুটবল ভাইব, যা পুরো বিশ্বকাপ মৌসুমে বিগেস্ট ফ্যানদের সঙ্গে এয়ারটেলের কানেকশন আরো স্ট্রং করবে। এবার গ্রাহকরা মাই এয়ারটেল অ্যাপ থেকেই সহজে ফিফা ওয়ার্ল্ডকাপ ম্যাচ ইনজয় করতে পারবেন। পাশাপাশি নির্ধারিত এয়ারটেল প্যাক কিনে Binge+ প্ল্যাটফর্মেও দেখা যাবে ওয়ার্ল্ডকাপের ম্যাচ। ফিফা ওয়ার্ল্ডকাপ ২০২৬ উপলক্ষ্যে এয়ারটেল গ্রাহকদের জন্য থাকছে ৪টি স্পেশাল ডাটা প্যাক : ১৮ টাকায় ১ জিবি ফিফা ইন্টারনেট, মেয়াদ ২৪ ঘণ্টা; ৩৮ টাকায় ২ জিবি ফিফা ইন্টারনেট, মেয়াদ ৩ দিন; ৬২ টাকায় ৪ জিবি ফিফা ইন্টারনেট, মেয়াদ ৭ দিন; ১৩৬ টাকায় ১০ জিবি ফিফা ইন্টারনেট, যা ব্যবহার করা যাবে পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে।

তবে এখানেই শেষ না!

প্যাক কেনার পর মাই এয়ারটেল অ্যাপে নিজের ফেভারিট টিম সিলেক্ট করলেই শুরু হবে আসল গেম। টুর্নামেন্টে আপনার প্রিয় টিম যতবার গোল করবে, ততবার আপনি পেয়ে যাবেন ১ জিবি করে বোনাস ফিফা ইন্টারনেট, যা ব্যবহার করতে হবে আপনার প্যাক ভ্যালিডিটির মধ্যেই। আর যদি থাকে ম্যাচ প্রেডিকশনে কনফিডেন্ট, তাহলে আরো বোনাস জেতার চান্স আছে! প্রতিটি ম্যাচ শুরু হওয়ার আগের ৩০ মিনিট আর ম্যাচ শেষ হওয়ার পরের ৩০ মিনিট, মোট ১ ঘণ্টা স্পেশাল উইন্ডোতে সঠিকভাবে ম্যাচ রেজাল্ট প্রেডিক্ট করতে পারলে গ্রাহকরা পাবেন অতিরিক্ত ১ জিবি ডাটা বোনাস।

ম্যাচ দেখা, ফেভারিট টিম নিয়ে হাইপ করা, গোল হলেই বোনাস পাওয়া, প্রেডিকশন দিয়ে এক্সট্রা ডাটা জেতা আর ফ্যান অ্যান্থেমের সঙ্গে ওয়ার্ল্ডকাপ ভাইব সেলিব্রেট করা, সব মিলিয়ে ফিফা ওয়ার্ল্ডকাপ ২০২৬ ইনজয় করার সবচেয়ে স্মার্ট, এক্সাইটিং আর ফ্যান ওয়ার্দি ওয়ে হবে এবার এয়ারটেলের সঙ্গে!

হাছন রাজাকে উৎসর্গ করে ‘সংস অব বেঙ্গল : প্রাণ বন্ধের সনে’

অনলাইন ডেস্ক
হাছন রাজাকে উৎসর্গ করে ‘সংস অব বেঙ্গল : প্রাণ বন্ধের সনে’

বিশ্ব সংগীত দিবস উদযাপন, বাংলার সমৃদ্ধ লোকসংগীতের ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে নতুনভাবে তুলে ধরা এবং এর চিরন্তন আবেদনকে সমসাময়িক দর্শকের সঙ্গে সংযুক্ত করার লক্ষ্যে এম ডব্লিউ ম্যাগাজিন বাংলাদেশ এবং স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের ন্যাচারাল ওয়েলনেস ব্র্যান্ড মায়া যৌথভাবে ‘সংস অব বেঙ্গল: প্রাণ বন্ধের সনে’ আয়োজন করেছে।

রাজধানীর আলোকি কনভেনশন সেন্টারে শুক্রবার (১২ জুন) ‘সংস অব বেঙ্গল: প্রাণ বন্ধের সনে’ অনুষ্ঠিত হয়। এবারের আয়োজন উৎসর্গ করা হয় বাংলা লোকসংগীতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মরমি কবি ও গীতিকার দেওয়ান হাছন রাজাকে। যার গান এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে বাংলার মানুষের হৃদয়ে সমানভাবে অনুরণিত হয়ে আসছে।

এই আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য ছিল বাংলার সমৃদ্ধ লোকসংগীত ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সমসাময়িক উপস্থাপনার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের কাছে অর্থবহভাবে পৌঁছে দেওয়া। সংগীত, গল্পকথন এবং সৃজনশীল শিল্পভাবনার মাধ্যমে হাছন রাজার দর্শন, জীবনবোধ ও সংগীতের চিরন্তন প্রাসঙ্গিকতাকে নতুনভাবে তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানের মিউজিক ডিরেক্টর ও কিউরেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী, সুরকার ও সংগীত পরিচালক শায়ান চৌধুরী অর্ণব। তার শিল্পভাবনা ও সংগীত বিন্যাসে হাছন রাজার কালজয়ী গানগুলো নতুন আবহে পরিবেশিত হয়, যা দর্শকদের জন্য এক অনন্য সংগীতানুভূতির জন্ম দেয়।

সন্ধ্যাজুড়ে পরিবেশিত হয় হাছন রাজার জনপ্রিয় ও কালজয়ী সব গান। সুর, দর্শন ও আবেগের এক অপূর্ব মেলবন্ধনের মধ্য দিয়ে দর্শকরা ফিরে যান সেই প্রকৃতি, হাওর সংস্কৃতি, লোকজ দর্শন ও আধ্যাত্মিক ভাবধারার জগতে, যা হাছন রাজার সৃষ্টিকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল। তার গানের কেন্দ্রীয় বিষয় ‘মনের মানুষ’, আত্মঅনুসন্ধান এবং মরমি জীবনদর্শনও এই আয়োজনের বিভিন্ন পরিবেশনায় নতুনভাবে উঠে আসে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন এম ডব্লিউ ম্যাগাজিন বাংলাদেশের সম্পাদক ও প্রকাশক রুমানা চৌধুরী। তিনি নতুন প্রজন্মের কাছে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে অর্থবহভাবে পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং শিল্প, সাহিত্য, সংগীত ও সংস্কৃতিকে সমসাময়িক দর্শকের সঙ্গে সংযুক্ত করার ক্ষেত্রে এম ডব্লিউ-এর ধারাবাহিক উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, ‘শুরু থেকেই এম ডব্লিউ বিশ্বাস করে, সংস্কৃতি কেবল তার মূল রূপে সংরক্ষণ করার বিষয় নয়; বরং তা নতুন প্রজন্মের কাছে নতুনভাবে ব্যাখ্যা, অনুভব ও পৌঁছে দেওয়ারও বিষয়। এই আয়োজন সেই বিশ্বাসেরই বহিঃপ্রকাশ।’

তিনি আরো বলেন, ‘এম ডব্লিউ-এর সাংস্কৃতিক উদ্যোগগুলো বরাবরই এমন একটি পরিসর তৈরির চেষ্টা করেছে, যেখানে সাহিত্য, সংগীত, শিল্প ও ঐতিহ্য সমসাময়িক দর্শকের সঙ্গে অর্থবহ সংযোগ স্থাপন করতে পারে।’ একই সঙ্গে তিনি স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অঞ্জন চৌধুরীর সাংস্কৃতিক ও সৃজনশীল উদ্যোগে অব্যাহত সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মালিক মোহাম্মদ সাঈদ। তিনি বাংলা লোকসংগীতের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও উদ্যাপনের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং বলেন, ‘সংস অব বেঙ্গল : প্রাণ বন্ধের সনে’-এর মতো আয়োজন নতুন প্রজন্মকে দেশের মূল্যবান সংগীত ঐতিহ্যের সঙ্গে পুনরায় পরিচিত হওয়ার সুযোগ করে দেয়।

তিনি শিল্প, সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল চর্চার প্রতি মায়ার প্রতিশ্রুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন এবং বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও উদ্যাপনে এ ধরনের উদ্যোগের গুরুত্বের ওপর জোর দেন।

আয়োজনটি স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয় এবং প্রকৃতি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে উদ্যাপন করে এমন উদ্যোগগুলোর সঙ্গে মায়ার চলমান সম্পৃক্ততার প্রতিফলন ঘটায়। এই আয়োজনের কমিউনিকেশন পার্টনার হিসেবে কাজ করেছে সান কমিউনিকেশনস লিমিটেড।

বিশ্ব সংগীত দিবস উপলক্ষে মায়া ‘সংস অব বেঙ্গল : প্রাণ বন্ধের সনে’ অনুষ্ঠানটি ২১ জুন রাত ৮টা ৩০ মিনিটে মাছরাঙা টেলিভিশনে সম্প্রচারিত হবে।

৩০ শতাংশ লভ্যাংশ দেবে ব্র্যাক ব্যাংক

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
৩০ শতাংশ লভ্যাংশ দেবে ব্র্যাক ব্যাংক
সংগৃহীত ছবি

ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসির শেয়ারহোল্ডাররা ২০২৫ সালের জন্য ৩০% লভ্যাংশের অনুমোদন দিয়েছেন, যার ১৫% নগদ লভ্যাংশ এবং ১৫% স্টক ডিভিডেন্ড আকারে বণ্টিত হবে।  বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত ব্যাংকটির ২৭তম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এই অনুমোদন দেওয়া হয়। বার্ষিক সাধারণ সভায় উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শেয়ারহোল্ডার যোগ দেন। 

ব্যাংকটির চেয়ারপারসন মেহেরিয়ার এম. হাসানের সভাপতিত্বে এজিএম-এ আরো উপস্থিত ছিলেন ভাইস চেয়ারপারসন ফারুক মঈনউদ্দীন আহমেদ এবং পরিচালকবৃন্দ– সালেক আহমেদ আবুল মাসরুর, আনিতা গাজী রহমান, চৌধুরী এমএকিউ সারওয়ার এবং লীলা রশিদ।   

সভায় ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খান ব্যাংকের প্রতি অবিচল আস্থা রাখার জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ধন্যবাদ জানান। কোম্পানি সচিব এম মাহবুবুর রহমান, এফসিএস এজিএম পরিচালনা করেন। 
    
২০২৫ সালে সমন্বিত নিট মুনাফা ৫৭% বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২,২৫১ কোটি টাকায়। ২০২৫ সালে শুধু ব্র্যাক ব্যাংকের একক (স্ট্যান্ডঅ্যালন) নিট মুনাফা দাঁড়িয়েছে ১,৫৮১ কোটি টাকায়, যা আগের বছরের ১,২১৪ কোটি টাকা থেকে ৩০% বেশি।  

সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) বেড়ে হয়েছে ৯.১২ টাকা, যা ২০২৪ সালে ছিল ৬.১৮ টাকা। সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট অ্যাসেট ভ্যালু (এনএভি) বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫১.৫৬ টাকা, যা আগের বছর ছিল ৩৯.৩৮ টাকা। সমন্বিত ভিত্তিতে শেয়ারপ্রতি নিট ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) বেড়ে হয়েছে ৭২.৭২ টাকা, যা ২০২৪ সালে ছিল ৫৪.১৪ টাকা।

ব্যাংকটির চেয়ারপারসন মেহেরিয়ার এম. হাসান তার বক্তব্যে সামষ্টিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও ব্যাংকের শক্তিশালী আর্থিক সক্ষমতার বিষয়টি তুলে ধরেন। 

তার তুলে ধরা উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল, ২০২৫ সালে একক ভিত্তিতে ব্যাংকটির গ্রাহক আমানতে ২৯% এবং ঋণে ১৭% প্রবৃদ্ধি অর্জন। তিনি শেয়ারহোল্ডার, রেগুলেটর, এবং স্টেকহোল্ডারদের তাদের সমর্থন এবং অবিচল আস্থার জন্য ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি তিনি ২০২৬ সালে ব্র্যাক ব্যাংক আরও বেশি সাফল্য অর্জন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

পূবালী ব্যাংকের অঞ্চল ও কর্পোরেট শাখা প্রধানদের দ্বিতীয় ব্যবসায়িক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
পূবালী ব্যাংকের অঞ্চল ও কর্পোরেট শাখা প্রধানদের দ্বিতীয় ব্যবসায়িক সম্মেলন অনুষ্ঠিত
সংগৃহীত ছবি

পূবালী ব্যাংক পিএলসি’র অঞ্চল ও কর্পোরেট শাখা প্রধানদের দ্বিতীয় ব্যবসায়িক সম্মেলন-২০২৬ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) অনুষ্ঠিত হয়।

সকল অঞ্চল প্রধান, কর্পোরেট শাখা প্রধান এবং সকল বিভাগ প্রধান ও নির্বাহীদের অংশগ্রহণে সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পূবালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালকবৃন্দ- মোহাম্মদ ইছা, মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন, আহমদ এনায়েত মনজুর, মো. শাহনেওয়াজ খান ও মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান।

সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন জেনারেল ব্যাংকিং ও অপারেশন বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মো. ফয়জুল হক শরীফ। কর্মক্ষেত্রে উৎসাহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০২৫ সালে বিশেষ সাফল্যের জন্য ৫০ জন শ্রেষ্ঠ ব্যবস্থাপককে পদক প্রদান করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আলী বৈশ্বিক অর্থনীতির বর্তমান পরিস্থিতিতে অর্থনৈতিক কার্যক্রমে গতি ফেরাতে ব্যাংকিং খাতের প্রয়োজনের উপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি সকলে মিলে সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার সাথে কাজ করার মাধ্যমে পরিস্থিতি মোকাবেলার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। কনফারেন্সে ব্যবসায়িক অর্জন ও বিশ্লেষণ এবং করণীয় বিষয়ে আলোকপাত করেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

সম্মেলনে ২০২৬ সালে ব্যাংকের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের বিভিন্ন কৌশল ও দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।