• ই-পেপার

জকসুর উদ্যোগে জায়ান্ট স্ক্রিনে বিশ্বকাপ দেখার আয়োজন

মাদরাসা শিক্ষার্থীদের সফল ক্যারিয়ার গঠনের কার্যকর পথ

আধুনিক দক্ষতা, ভাষাজ্ঞান, প্রযুক্তি শিক্ষা এবং ইসলামী মূল্যবোধের সমন্বয়

মো: আবদুল হান্নান
আধুনিক দক্ষতা, ভাষাজ্ঞান, প্রযুক্তি শিক্ষা এবং ইসলামী মূল্যবোধের সমন্বয়
সংগৃহীত ছবি

বর্তমান বিশ্ব দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। প্রযুক্তির অগ্রগতি, বিশ্বায়ন এবং কর্মক্ষেত্রের ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতার কারণে শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা অর্জনই যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন আধুনিক দক্ষতা, ভাষাজ্ঞান, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং শক্তিশালী নৈতিক ভিত্তি। মাদরাসা শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও এই বাস্তবতা সমানভাবে প্রযোজ্য। ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক জ্ঞান ও দক্ষতার সমন্বয় তাদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করতে পারে।

মাদরাসা শিক্ষা বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই শিক্ষাব্যবস্থা শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় জ্ঞান, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ করে। তবে বর্তমান যুগের চাহিদা পূরণে শিক্ষার্থীদেরকে আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার জন্য অতিরিক্ত দক্ষতা অর্জন করতে হবে। বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি, যোগাযোগ দক্ষতা, ভাষাজ্ঞান এবং পেশাগত দক্ষতা অর্জন তাদের ক্যারিয়ার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ভাষাজ্ঞান বর্তমান বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা। বাংলা ও আরবির পাশাপাশি ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা অর্জন মাদরাসা শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। ইংরেজি আন্তর্জাতিক যোগাযোগ, উচ্চশিক্ষা, গবেষণা এবং কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ সৃষ্টি করে। একজন শিক্ষার্থী যদি ধর্মীয় জ্ঞানের পাশাপাশি ইংরেজিতে দক্ষ হন, তাহলে তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজের যোগ্যতা আরও কার্যকরভাবে উপস্থাপন করতে পারবেন।

প্রযুক্তি শিক্ষা বর্তমান যুগের অপরিহার্য অংশ। কম্পিউটার পরিচালনা, ইন্টারনেট ব্যবহার, অফিস অ্যাপ্লিকেশন, ডিজিটাল যোগাযোগ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) সম্পর্কিত মৌলিক জ্ঞান এখন প্রায় সব পেশাতেই প্রয়োজন। মাদরাসা শিক্ষার্থীরা যদি প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জন করেন, তাহলে তারা শুধু চাকরির ক্ষেত্রেই নয়, ফ্রিল্যান্সিং, অনলাইন ব্যবসা এবং ডিজিটাল উদ্যোক্তা হিসেবেও সফল হতে পারবেন।

একই সঙ্গে আধুনিক দক্ষতা যেমন যোগাযোগ দক্ষতা, নেতৃত্বের গুণাবলি, সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা, সময় ব্যবস্থাপনা এবং দলগতভাবে কাজ করার সক্ষমতা একজন শিক্ষার্থীকে পেশাগত জীবনে এগিয়ে যেতে সহায়তা করে। এসব দক্ষতা আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করে এবং কর্মক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

তবে আধুনিক শিক্ষা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতার পাশাপাশি ইসলামী মূল্যবোধের গুরুত্ব কোনোভাবেই কমে যায় না। সততা, ন্যায়পরায়ণতা, দায়িত্ববোধ, মানবিকতা এবং পরোপকারিতা ইসলামের মৌলিক শিক্ষা। একজন মাদরাসা শিক্ষার্থী যদি আধুনিক জ্ঞান ও দক্ষতার সঙ্গে এসব মূল্যবোধ ধারণ করেন, তাহলে তিনি শুধু একজন সফল পেশাজীবীই নন, বরং একজন আদর্শ নাগরিক হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত হতে পারবেন।

বর্তমানে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের জন্য কর্মক্ষেত্রের পরিধি অনেক বিস্তৃত। শিক্ষকতা, গবেষণা, ইসলামিক ফাইন্যান্স, প্রশাসন, সাংবাদিকতা, তথ্যপ্রযুক্তি, অনুবাদ, ফ্রিল্যান্সিং, উদ্যোক্তা কার্যক্রমসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাদের জন্য সুযোগ রয়েছে। এসব ক্ষেত্রে সফল হতে হলে ধর্মীয় জ্ঞানের পাশাপাশি আধুনিক দক্ষতা অর্জন অপরিহার্য।

পরিশেষে বলা যায়, আধুনিক দক্ষতা, ভাষাজ্ঞান, প্রযুক্তি শিক্ষা এবং ইসলামী মূল্যবোধের সমন্বয়ই মাদরাসা শিক্ষার্থীদের সফল ক্যারিয়ার গঠনের সবচেয়ে কার্যকর পথ। এই সমন্বিত প্রস্তুতি তাদেরকে আত্মবিশ্বাসী, দক্ষ এবং যুগোপযোগী নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলবে, যা ব্যক্তিগত উন্নয়ন, সামাজিক অগ্রগতি এবং জাতীয় উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

লেখক : সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।

রাবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক নেতা আটক

রাবি প্রতিনিধি
রাবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক নেতা আটক
সংগৃহীত ছবি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগে সংগঠনটির সাবেক এক নেতাকে আটক করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। পরে প্রক্টর প্রশাসনের সহায়তায় তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। 

রবিবার (১৪ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোড এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তি ছাত্রলীগ নেতার নাম সোলাইমান। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ হবিবুর রহমান হল শাখা ছাত্রলীগের সাবেক ধর্মবিষয়ক সম্পাদক এবং উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

সোলাইমান আমজাদের মোড় এলাকার একটি মেসে অবস্থান করে মাস্টার্স পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছিলেন। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুল্লা-হিল-গালিবের রাজনীতি করতেন এবং তার নির্দেশে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে রাতভর নির্যাতন করেছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্যারিস রোডে তাকে দেখতে পেয়ে কয়েকজন শিক্ষার্থী আটক করে প্রক্টর দপ্তরে নিয়ে যান। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) উপস্থিতিতে তার মোবাইল ফোন পরীক্ষা করা হয়। এ সময় নিষিদ্ধ সংগঠনের কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও মেসেঞ্জার চ্যাটের তথ্য পাওয়া যায় বলে দাবি করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান বলেন, সোলাইমান অতীতে এক শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের ঘটনায় অভিযুক্ত ছিলেন। ওই শিক্ষার্থী ও তার সহপাঠীরা তাকে শনাক্ত করে প্রক্টর দপ্তরে নিয়ে আসে। এ ছাড়া নিষিদ্ধ ছাত্রলীগকে পুনরায় সক্রিয় করার বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততার তথ্যও পাওয়া গেছে। পরে তাকে মতিহার থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মাদ গোলাম কবির বলেন, প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তিনি নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিভিন্ন গোপন কার্যক্রম পরিচালনায় যুক্ত ছিলেন। সংগঠনের সদস্যরা গোপন বৈঠকের মাধ্যমে পুনরায় সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছিল। এ বিষয়ে তথ্য পাওয়ার পর তাকে আটক করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বুড়িগঙ্গায় মিলল নিখোঁজ জাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
বুড়িগঙ্গায় মিলল নিখোঁজ জাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ
প্রতীকী ছবি

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বসিলা ব্রিজসংলগ্ন বুড়িগঙ্গা নদী থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে রিভার পুলিশ। রবিবার (১৪ জুন) দুপুরে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। 

নিহত শিক্ষার্থীর নাম দ্বীপ মজুমদার। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকিউলার বায়োলজি বিভাগের ৫০তম ব্যাচের (২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষ) শিক্ষার্থী ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীর ভাষ্য মতে, মরদেহে পচন ধরেছিল। এ কারণে ধারণা করা হচ্ছে, মৃত্যুর ঘটনা অন্তত এক থেকে দুই দিন আগে ঘটেছে।

নিহতের পরিবার ও সহপাঠীদের সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার পারিবারিক মনোমালিন্যের জেরে দ্বীপ বাসা থেকে বের হয়ে যান। এরপর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল এবং পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। এ ঘটনায় শনিবার সংশ্লিষ্ট থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।

রিভার পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহফুজুর রহমান বলেন, নদীতে একটি মরদেহ ভাসছে—এমন সংবাদ পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করি। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি মিটফোর্ড হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

এদিকে দ্বীপ মজুমদারের আকস্মিক ও রহস্যজনক মৃত্যুতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর সহপাঠী, বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গণবিজ্ঞপ্তি কখন, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গণবিজ্ঞপ্তি কখন, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

দেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষকের শূন্য পদ পূরণের লক্ষ্যে শিগগিরই নতুন গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

রবিবার (১৪ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ষষ্ঠ কার্যদিবসে রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

সংসদ সদস্য আখতার হোসেনেতার প্রশ্নে জানতে চান, তার এলাকায় সরকারি এবং এমপিওভুক্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে মোট কতটি শিক্ষকের শূন্য পদ রয়েছে। এনটিআরসিএর মাধ্যমে চলমান নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এই শূন্য পদগুলো পূরণে বিশেষ কোনো অগ্রাধিকার বা দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে কি না?

জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বর্তমানে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষকের শূন্য পদ পূরণের জন্য ই-রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ৭৭ হাজার ৭৯৯টি শূন্য পদের তালিকা সংগ্রহ করা হয়েছে। এসব পদে নিয়োগের জন্য দ্রুত নতুন গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।

তিনি জানান, সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক সংকট নিরসনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর শূন্য পদের তালিকা প্রস্তুত করে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনে (পিএসসি) পাঠানোর জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করা হয়েছে। নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে দেশের বিভিন্ন সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষক সংকট উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। 

ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, এমপিওভুক্ত স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, কারিগরি ও ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশ পর্যায়ের শিক্ষক নিয়োগে জাতীয় মেধাতালিকার ভিত্তিতে সম্পূর্ণ অটোমেশন পদ্ধতিতে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) সুপারিশ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

তিনি জানান, এ প্রক্রিয়ার আওতায় ২০২৫ সালের ১৯ আগস্ট ৪১ হাজার ৬২৭ জন এবং ২০২৬ সালের ২৮ জানুয়ারি ১১ হাজার ৭১৩ জনসহ মোট ৫৩ হাজার ৩৪০ জন শিক্ষককে দেশের বিভিন্ন এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) এলাকার শূন্যপদগুলোও জাতীয় মেধাভিত্তিক নিয়োগ প্রক্রিয়ার আওতায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পূরণ করা হবে। চলমান নিয়োগ কার্যক্রম শেষ হলে সংশ্লিষ্ট এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক সংকট উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে এবং পাঠদান কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।