• ই-পেপার

গোলকধাঁধায় প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য মোকাবেলায় তিন কৌশল

দেশের বাজারে সোনার ভরি আজ কত?

অনলাইন ডেস্ক
দেশের বাজারে সোনার ভরি আজ কত?

টানা চার দফা কমানোর পর গত শনিবার দেশের বাজারে বাড়ানো হয়েছে সোনার দাম। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে ৬ হাজার ৫৯০ টাকা। এতে এক ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ৯৪০ টাকা, যা ওই দিন সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে। এরপর আর দাম না বাড়ায় আজ সোমবারও ওই দামে বিক্রি হচ্ছে। 

এর আগে, সবশেষ গত ১১ জুন সকালে দেশের বাজারে সোনার দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ৪ হাজার ৪৩২ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ১৮ হাজার ৩৫০ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৮ হাজার ৪৩৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৭৮ হাজার ৬৯২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৪৫ হাজার ৫০৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকেই।

৪৩ মাসের মধ্যে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সর্বোচ্চ

নিজস্ব প্রতিবেদক
৪৩ মাসের মধ্যে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সর্বোচ্চ
সংগৃহীত ছবি

এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) থেকে বাজেট সহায়তার ১০০ কোটি ডলার ঋণ পেয়েছে বাংলাদেশ। এতে বৈদেশিক মুদ্রার গ্রস রিজার্ভ বেড়ে রবিবার ৩৫ দশমিক ৬৩ বিলিয়ন ডলার হয়েছে। গত ৪৩ মাসের মধ্যে যা সর্বোচ্চ।

সম্প্রতি কয়েকবার রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলারের ওপরে উঠলেও তা এ পর্যায়ে উঠেনি। গত বৃহস্পতিবার রিজার্ভ ছিল ৩৪ দশমিক ৫৯ বিলিয়ন ডলার। আওয়ামী লীগ পতনের সময় যা ২৫ দশমিক ৯২ বিলিয়নে নেমেছিল।

গ্রস রিজার্ভের পাশাপাশি আইএমএফের হিসাব পদ্ধতি বিপিএম৬ অনুযায়ী–রবিবার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩১ দশমিক শুন্য ৭ বিলিয়ন ডলার। এর আগে চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি প্রথমবারের মতো বিপিএম৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ৩০ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক ছাড়িয়েছিল। ২০২৩ সালের জুন থেকে বিপিএম৬ অনুযায়ী রিজার্ভের হিসাব প্রকাশ করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ওই সময় রিজার্ভ ছিল ২৪ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার।

দেশের ইতিহাসে রিজার্ভ সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করে ২০২১ সালের আগস্টে। তবে অর্থপাচার বেড়ে যাওয়াসহ বিভিন্ন কারণে সেখান থেকে দ্রুত কমতে থাকে। একই সঙ্গে ৮৪ টাকার ডলারের দর বেড়ে ১২০ টাকা ছাড়িয়ে যায়। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের সময় বিপিএম৬ অনুযায়ী রিজার্ভ কমে ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলারে নামে। আজ প্রথমবারের মতো যা ৩১ বিলিয়ন ডলারের ওপরে উঠেছে।

২০২৪ সালের আগস্টের পর থেকে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্সের উচ্চ প্রবাহ রয়েছে। চলতি অর্থবছরের ১০ জুন পর্যন্ত মোট ৩৩ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৫৫০ কোটি ডলার বা ১৯ দশমিক ৩১ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছর রেমিট্যান্স বেড়েছিল প্রায় ২৭ শতাংশ। এতে করে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ স্বস্তিতে রয়েছে। 

এর আগে ধারাবাহিকভাবে কমতে থাকা রিজার্ভ বেড়ে এ পর্যায়ে উঠেছে। এর আগে সর্বশেষ ২০২২ সালের নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমেছিল। এরপর ধারাবাবিহকভাবে কমে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের সময় ২৫ দশমিক ৯২ বিলিয়ন ডলারে নেমে যায়। সেখান থেকে বেড়ে চলতি বছরের নভেম্বরে প্রথম ৩৫ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করে।

ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ পুরো পর্ষদ বাতিল করল বাংলাদেশ ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক
ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ পুরো পর্ষদ বাতিল করল বাংলাদেশ ব্যাংক
সংগৃহীত ছবি

দেশের বৃহত্তম শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির চেয়ারম্যানসহ পরিচালনা পর্ষদের সব সদস্যের নিয়োগ বাতিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংক কম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ক্ষমতাবলে রবিবার (১৪ জুন) এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র শাহরিয়ার সিদ্দিকী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আমানতকারীদের স্বার্থে ও জনস্বার্থে ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানসহ সব পরিচালকের নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে ব্যাংক কম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৭(৩) ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ জহির হোসেনকে পর্ষদের যাবতীয় ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, আমানতকারীদের আস্থা ফেরাতে এবং ব্যাংকের আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে শিগগিরই ব্যাংকটিতে স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগের মাধ্যমে একটি নতুন পেশাদার পরিচালনা পর্ষদ গঠন করা হবে।

এডিবির বাজেট সহায়তায় রিজার্ভ বেড়ে ৩৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি

অনলাইন ডেস্ক
এডিবির বাজেট সহায়তায় রিজার্ভ বেড়ে ৩৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশকে এক বিলিয়ন ডলার (প্রায় ১২ হাজার ২০০ কোটি টাকা) বাজেট সহায়তা দিয়েছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি)। ফলে বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয় বা রিজার্ভ বেড়ে ফের সাড়ে ৩৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১৪ জুন পর্যন্ত দেশের মোট (গ্রোস) বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৫ দশমিক ৬৩ বিলিয়ন ডলারে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ হিসাবপদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ ৩১ দশমিক ০৭ বিলিয়ন ডলার।

গত সপ্তাহে, অর্থাৎ ১০ জুন মোট রিজার্ভ ছিল ৩৪ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ অনুযায়ী ছিল ৩০ দশমিক ০৭ বিলিয়ন ডলার। 

তবে মোট রিজার্ভের পুরোটা ব্যবহারযোগ্য নয়। স্বল্পমেয়াদি দায় ও অন্যান্য বাধ্যবাধকতা বাদ দিলে যে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভ থাকে, সেটিই অর্থনীতির জন্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশ ব্যাংক অভ্যন্তরীণভাবে ‘ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ’ হিসাব করে, যেখানে আইএমএফের এসডিআর, ব্যাংকগুলোর বৈদেশিক মুদ্রা ক্লিয়ারিং হিসাব এবং আকুর বিলের মতো কিছু খাত বাদ দেওয়া হয়। যদিও এ তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয় না।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বর্তমানে দেশের ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ প্রায় ২৮ বিলিয়ন ডলার। প্রতি মাসে গড়ে ৫ বিলিয়ন ডলার আমদানি ব্যয় ধরা হলে, এ রিজার্ভ দিয়ে সাড়ে পাঁচ মাসের বেশি আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। সাধারণত অন্তত তিন মাসের আমদানি ব্যয়ের সমপরিমাণ রিজার্ভকে নিরাপদ ধরা হয়।