• ই-পেপার

স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক নেতার খুনের মামলায় ৩ আসামি রিমান্ডে

আইনজীবী তালিকাভুক্তির প্রথম ধাপের পরীক্ষায় পাস করলেন জাইমা রহমান

অনলাইন ডেস্ক
আইনজীবী তালিকাভুক্তির প্রথম ধাপের পরীক্ষায় পাস করলেন জাইমা রহমান
জাইমা রহমান। ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের অধীন অধস্তন আদালতে আইনজীবী তালিকাভুক্তির প্রথম ধাপের (এমসিকিউ) পরীক্ষায় পাস করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমান। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শুক্রবার (১২ জুন) মধ্যরাতে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত ফল প্রকাশ করা হয়েছে। প্রথম ধাপের এই পরীক্ষায় মোট ৯ হাজার ২০১ জন পরিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন।

জাইমা রহমান ফেসবুকে লিখেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আমি আপনাদের কাছে ছোট একটি ব্যক্তিগত সাফল্যের কথা শেয়ার করতে চাই।
আমার দেশে আইন প্র্যক্টিসের জন্য আজ বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের প্রথম ধাপ এমসিকিউ পরীক্ষায় অংশ নিই। আল্লাহর রহমতে সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছি।’

জানা গেছে, এবারের পরীক্ষায় প্রধানমন্ত্রী কন্যা জাইমা রহমান বিএএফ শাহীন কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষা দিয়েছিলেন। পরীক্ষায় আবেদনকারীর সংখ্যা ছিল ৩৭ হাজার ৮০ জন পরীক্ষার্থী।

তিন ধাপের এমসিকিউ, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হবেন। এ পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতীত দেশের অন্যান্য আদালত ও ট্রাইব্যুনালে আইন পেশায় নিয়োজিত হতে পারবেন। 

বার কাউন্সিলের এনরোলমেন্ট কমিটি পরীক্ষার বিষয়ে সিদ্ধান্ত ও দিকনির্দেশনা দিয়ে থাকে।

বার কাউন্সিলের প্রথম ধাপের পরীক্ষার ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ৯২০১

অনলাইন ডেস্ক
বার কাউন্সিলের প্রথম ধাপের পরীক্ষার ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ৯২০১
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তির প্রথম ধাপের (এমসিকিউ)পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এতে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৯২০১ জন পরীক্ষার্থী। শুক্রবার (১২ জুন) বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে এই সংক্রান্ত ফলাফল প্রকাশিত হয়।

এবারের এমসিকিউ পরীক্ষায় আবেদনকারীর সংখ্যা ছিল ৩৭ হাজার ৮০ জন।  

মূলত তিন ধাপের নৈর্ব্যক্তিক, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণরাই আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিস করতে পারেন। 

একবার লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে তারা তিনবার সরাসরি মৌখিক পরীক্ষার জন্য বিবেচিত হন। বার কাউন্সিলের এনরোলমেন্ট কমিটি পরীক্ষার বিষয়ে সিদ্ধান্ত ও দিক নির্দেশনা দিয়ে থাকে।

উত্তীর্ণদের তালিকা দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে চুরি, থানায় মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে চুরি, থানায় মামলা

সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় অবস্থিত অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের ভবনে বৃহস্পতিবার রাতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। চোরেরা ভবনটির নিচ তলা ও দুই তলার জানালার থাইগ্লাস খুলে একটি অংশ নিয়ে গেছে বলে জানা গেছে।

ভবনটির পেছনেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন কালের কণ্ঠকে বলেন, “বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক সোয়া ১টার দিকে নিরাপত্তারক্ষীরা ভবনটির পেছন দিক থেকে শব্দ শুনতে পায়। তখন তারা নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা টিউটি পুলিশকে ডেকে আনে। গিয়ে দেখে নিচ তলার এবং দুতলার জানালার থাইগ্লাস খোলা। উপস্থিতি টের পেয়ে থাইগ্লাসের একটি অংশ ফেলে রেখে আরেকটি অংশ নিয়ে চোরেরা পালিয়ে যায়।”

সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি অ্যাটর্নি জেনারেলকে জানানো হলে তিনি মামলা করার নির্দেশ দেন। আজ শুক্রবার সকালে শাহবাগ থানায় মামলা করা হয় বলে জানান প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন।

তবে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের অনেকেই ঘটনাটিকে ছিঁচকে চোরের কাজ বলে মনে করছেন।

রামিসা ধর্ষণ-হত্যা

ডেথ রেফারেন্সের শুনানি রবিবার, বিশেষ আইনজীবী প্যানেল গঠন

অনলাইন ডেস্ক
ডেথ রেফারেন্সের শুনানি রবিবার, বিশেষ আইনজীবী প্যানেল গঠন

রামিসা হত্যা মামলায় হাইকোর্টে আসামিদের ডেথ রেফারেন্সের শুনানি আগামী রবিবার শুরু হচ্ছে। মামলা পরিচালনায় রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ আইনজীবী প্যানেল গঠন করা হয়েছে। এ ধরনের ধর্ষণ ও হত্যা মামলাগুলোর বিচার মূলতবি ছাড়া বিরতিহীনভাবে চলবে বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে অ্যাটর্নি জেনারেল এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, রামিসা হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স শুনানি তিনি নিজেই করবেন।

এর আগে বুধবার নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য হাইকোর্টে বিশেষ বেঞ্চ গঠন করেন প্রধান বিচারপতি। রবিবার থেকে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত এ হাইকোর্ট বেঞ্চ বিচার কাজ পরিচালনা করবেন।

সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শুধু নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংক্রান্ত মৃত্যুদণ্ডাদেশ কনফারমেশনের রেফারেন্স এবং একই রায় হতে উদ্ভূত সব ফৌজদারি আপিল ও জেল আপিল অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি করবে এই বেঞ্চ।

এর আগে গত ৯ জুন রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের মৃত্যুদণ্ড (ডেথ রেফারেন্স) অনুমোদনের নথি হাইকোর্টে আসে।

দুই আসামির ফাঁসির রায়ে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন স্বাক্ষরের পর ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়।

ফৌজদারি কোনো মামলায় আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে হাইকোর্টের অনুমোদন লাগে, যা ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) মামলা হিসেবে পরিচিত।

গত ৭ জুন রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের ফাঁসির রায় ঘোষণা করেন আদালত। আসামিদের উপস্থিতিতে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন মৃত্যুদণ্ডের এ রায় ঘোষণা করেন।  

পাশাপাশি আসামি সোহেলকে ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অপরদিকে আসামি স্বপ্নাকে দণ্ডের পাশাপাশি দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।