• ই-পেপার

স্টার অব দ্য উইক : নাদিয়া আহমেদ

তথ্যচিত্রে ফুটবল কিংবদন্তি

তথ্যচিত্রে ফুটবল কিংবদন্তি

পেলে [২০২১]

ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় নাম! ব্রাজিলিয়ান এই কিংবদন্তি মাত্র ১৭ বছর বয়সে বিশ্বকাপ জিতে বিশ্বকে চমকে দিয়েছিলেন। পরে আরো দুটি বিশ্বকাপ জিতে ইতিহাস গড়েন। তাঁকে নিয়ে বেশ কয়েকটি তথ্যচিত্র আছে। নেটফ্লিক্সের জন্য তৈরি আমেরিকান তথ্যচিত্রটি বেশ আলাদা। মাঠে পেলের জাদুকরী সব মুহূর্তের সঙ্গে উঠে এসেছে তৎকালীন ব্রাজিলের সামরিক শাসন এবং ব্রাজিলের মানুষের কাছে তাঁর গুরুত্ব।

 

ডিয়েগো ম্যারাডোনা [২০১৯]

ফুটবলবিশ্বের সবচেয়ে প্রিয় এবং একই সঙ্গে বিতর্কিত চরিত্র ডিয়েগো ম্যারাডোনা। প্রায় একক নৈপুণ্যে আর্জেন্টিনাকে ১৯৮৬ বিশ্বকাপ জেতানো এই কিংবদন্তির জীবন নাটকীয়তায় ভরপুর। ব্রিটিশ এই তথ্যচিত্রে এসেছে সবই। ম্যারাডোনাকে বুঝতে চাইলে এটি অবশ্যই দেখা উচিত।

মেসি [২০১৪]

এই তথ্যচিত্র যখন নির্মিত হয় তখনো বিশ্বকাপ হাতে ওঠেনি লিওনেল মেসির। বিশ্বকাপ জেতার পর তাঁকে নিয়ে বেশ কয়েকটি তথ্যচিত্র নির্মিত হয়েছে। তবে স্প্যানিশ এই তথ্যচিত্র একটু অন্য রকম। ছোটবেলায় শারীরিক বৃদ্ধিসংক্রান্ত সমস্যায় ভোগা এক লাজুক ছেলের বিশ্বের সেরা ফুটবলার হয়ে ওঠার গল্প এখানে উঠে এসেছে।

 

রোনালদো [২০১৫]

পর্তুগিজ কিংবদন্তি ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর জীবনের অন্দরমহল দেখতে পাবেন ব্রিটিশ এই তথ্যচিত্রে। কঠোর পরিশ্রম, আত্মনিয়ন্ত্রণ এবং মানসিক শক্তি একজন মানুষকে কিভাবে বিশ্বসেরা তারকায় পরিণত করতে পারে, তাই উঠে এসেছে এই চলচ্চিত্রে।

জিদান : আ টোয়েন্টিফার্স্ট সেঞ্চুরি পোর্ট্রেট [২০০৬]

আলজেরিয়ান বংশোদ্ভূত ফরাসি কিংবদন্তি ফুটবলারকে নিয়ে অন্য রকম একটি তথ্যচিত্র। একটি ম্যাচ চলাকালে পুরো সময়ে শুধু জিনেদিন জিদানকে অনুসরণ করেছে ক্যামেরা। তাঁর দৃষ্টি, হাঁটা, পাস দেওয়া, চিন্তা—সবকিছু কাছ থেকে দেখানো হয়েছে। ফুটবলের শিল্পরূপ বুঝতে চাইলে ফরাসি তথ্যচিত্রটি দারুণ কাজে দেবে।

গারিঞ্চা : জয় অব দ্য পিপল [১৯৬২]

ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি গারিঞ্চাকে বলা হয় সর্বকালের সেরা ড্রিবলার। সাধারণ মানুষ থেকে জাতীয় নায়ক হয়ে ওঠা এই ফুটবলারের গল্প যেমন অনুপ্রেরণার, তেমনি তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের ট্র্যাজেডিও হৃদয়বিদারক। ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তথ্যচিত্র এটি।

দ্য টু এসকোবারস [২০১০]

এটি শুধু ফুটবল নয়, অপরাধ ও রাজনীতির গল্পও। কলম্বিয়ান ফুটবলার আন্দ্রেস এসকোবার এবং মাদকসম্রাট পাবরো এসকোবারের জীবনকে একসঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে এই ছবিতে। ১৯৯৪ বিশ্বকাপে আত্মঘাতী গোল করার পর আন্দ্রেস এসকোবারের হত্যাকাণ্ড ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে মর্মান্তিক ঘটনার একটি। আছে সেই গল্পও।

বিকামিং জ্লাতান [২০১৫]

তারকা ফুটবলার হওয়ার আগে জ্লাতান ইব্রাহামোভিচ কেমন ছিলেন? অভিবাসী পরিবারের দুষ্ট, বিদ্রোহী এক কিশোর কিভাবে বিশ্বের অন্যতম সেরা স্ট্রাইকার হয়ে উঠলেন? সবটা নিয়ে এই তথ্যচিত্র।

 

দ্য ডে ব্রাজিল ওয়াজ হিয়ার [২০০৫]

২০০২ কাপজয়ী ব্রাজিল দলের হাইতি সফরকে কেন্দ্র করে নির্মিত এই তথ্যচিত্রে দেখানো হয়েছে কিভাবে একটি সংকটাপন্ন দেশের মানুষের মধ্যে আশা ও আনন্দ ছড়িয়ে দিতে পারে ফুটবল। এটি বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্র উৎসবেও অংশ নেয়।
 

তথ্যচিত্রে ফুটবল কিংবদন্তি

লিওনেল মেসি—এক লাজুক কিশোর থেকে বিশ্বসেরা ফুটবলার

 

তথ্যচিত্রে ফুটবল কিংবদন্তি

কলম্বিয়ান ফুটবলার আন্দ্রেস এসকোবার—ফুটবল ইতিহাসের মর্মান্তিক ঘটনার বলি

সিনেবিশ্বে ফুটবল

চলছে ‘গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬। টিভি পর্দায় মাঠের ফুটবলশৈলী দেখছে ছেলে-বুড়ো সবাই। সারা বিশ্বের সিনেমার পর্দায়ও এসেছে ফুটবল নিয়ে দারুণ সব চলচ্চিত্র। হলিউড-বলিউডে তো আছেই, আছে বাংলা, কোরিয়ান, হিন্দি, লাতিন আমেরিকান এমনকি এরাবিয়ান সিনেমাও। ফুটবলের এই মৌসুমে দেখে নিতে পারেন সেগুলোও

সিনেবিশ্বে ফুটবল
‘জাগো’র এই দৃশ্যে ছবির বেশির ভাগ অভিনয়শিল্পী

বাংলাদেশের ২

জাগো [২০১০]

ফুটবল নিয়ে বাংলাদেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ছবি এটিই। খিজির হায়াত খানের ছবিটি বক্স অফিসে সেভাবে ব্যবসা করতে না পারলেও এটি যে একটি ভালো ছবি, তার স্বীকৃতি মিলেছে। গল্প বাংলাদেশ-ভারতের সীমান্তবর্তী জেলার কুমিল্লা একাদশ ও ত্রিপুরা একাদশের ফুটবল লড়াই ঘিরে। ত্রিপুরা কখনোই কুমিল্লার কাছে হারেনি। এবার কুমিল্লা একাদশে শামীমের মতো মেধাবী খেলোয়াড় থাকায় তারা ত্রিপুরার বিরুদ্ধে জয়ী হওয়ার পরিকল্পনা করে। কোচবিহীন কুমিল্লা একাদশের পাশে দাঁড়ান স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের সাবেক খেলোয়াড় সাফু। অভিনয়ে ফেরদৌস, আরিফিন শুভ, তারিক আনাম খান, আফসান আরা বিন্দু, রওনক হাসান প্রমুখ।

 

দামাল [২০২২]

স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় ‘স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল’-এর বীরত্বগাথার নির্যাস পর্দায় নিয়ে এসেছেন রায়হান রাফি। স্বল্প ও সীমিত আয়োজনের মধ্যেও দারুণভাবে সে সময়টা তুলে এনেছেন নির্মাতা। গল্প শুরু হয় বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের কোচকে বিদায় জানানোর মাধ্যমে। যাওয়ার আগে তিনি নারী ফুটবলারদের অনুপ্রেরণা দিতে স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের সাহসিকতার কাহিনি শোনান। ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের ম্যানেজার ছিলেন তিনিই। তাঁর জবানিতে গল্প ও চিত্রনাট্য পৌঁছে যায় একাত্তরের সেই সব উত্তাল দিনে। অভিনয়ে আছেন শরিফুল রাজ, সিয়াম আহমেদ, বিদ্যা সিনহা মিম, শাহনাজ সুমি, সুমিত সেনগুপ্ত, নাসিরউদ্দিন খান, ইন্তেখাব দিনার প্রমুখ।

 

লাতিন ৩

দ্য সিক্রেট ইন দেয়ার আইজ

[আর্জেন্টিনা, ২০০৯]

বিদেশি ভাষা বিভাগে অস্কারজয়ী ছবিটি মূলত একটি অপরাধভিত্তিক থ্রিলার। তবে ফুটবলপ্রেমীদের কাছে এর বেশ কদর, ফুটবল ম্যাচের দৃশ্যের জন্য। দর্শকে ঠাসা স্টেডিয়ামে এক সন্দেহভাজনকে খুঁজে বের করে গোয়েন্দারা এবং খেলা চলাকালীন মাঠের ভেতর দিয়েই তাকে ধাওয়া করে। অনেক সমালোচক এটিকে চলচ্চিত্র ইতিহাসের অন্যতম সেরা দৃশ্য হিসেবে বিবেচনা করেন।

 

ব্রাদার

[ভেনেজুয়েলা, ২০১০]

মস্কো উৎসবে পুরস্কারজয়ী এই ভেনেজুয়েলান ছবি বস্তিতে বেড়ে ওঠা দুই ভাইয়ের গল্প, যাদের স্বপ্ন পেশাদার ফুটবলার হওয়া। কিন্তু বস্তিতে এক স্কাউট আসার পর তাদের সম্পর্ক ও স্বপ্ন দুটিই হুমকির মুখে পড়ে।

 

রুডো ওয়াই কুর্সি

[মেক্সিকো, ২০০৮]

কলাবাগানে কাজ করা দুই সত্ভাইয়ের গল্প, যারা পরে প্রতিদ্বন্দ্বী পেশাদার ফুটবল তারকায় পরিণত হয়। খ্যাতি, লোভ ও পারস্পরিক প্রতিদ্বন্দ্বিতাই চলচ্চিত্রটির মূল বিষয়।

 

 

আরববিশ্বের ৪ 

বয়! বয়! বয়! [মিসর, ২০২৩]

বাস্তব ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত ছবিটি অস্কারে পাঠিয়েছিল মিসর। কমেডি-ড্রামাটির গল্প এক তরুণ সংগ্রামী নিরাপত্তারক্ষীর। দেশ ছেড়ে অবৈধভাবে বিদেশে যাওয়ার আশায় সে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হওয়ার ভান করে মিসরের অন্ধ ফুটবল দলে যোগ দেয়।

 

দি ইউনাইটেড [জর্দান/মিসর, ২০১২]

এক কিংবদন্তি মিসরীয় ফুটবল কোচের গল্প; অবসরের পর যিনি আবারও কোচিংয়ে ফিরে এসে বিভিন্ন আরব দেশের আন্ডারডগ খেলোয়াড়দের নিয়ে একটি দল গড়ে তোলেন। তাদের লক্ষ্য ফ্রান্সের বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা এবং নিজেদের ফুটবল একাডেমির জন্য অর্থায়ন নিশ্চিত করা।

বাগদাদ মেসি

[ইরাক/সংযুক্ত আরব আমিরাত, ২০১২]

যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরাকের এক পা হারানো কিশোরের গল্প নিয়ে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি। লিওনেল মেসির অন্ধভক্ত ছেলেটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের ঠিক আগে তার টেলিভিশন হারিয়ে ফেলে, যা তার স্বপ্ন ও বাস্তবতার সংঘাতকে সামনে নিয়ে আসে।

 

দি এরাবিয়ান ওয়ারিয়র

[সৌদি আরব/যুক্তরাষ্ট্র, ২০১৮]

সৌদি-আমেরিকান চলচ্চিত্রটির নির্মাতা আয়মেন খোজা। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী এক তরুণ সৌদি যুবকের গল্প। একদিকে পেশাদার ফুটবলার হওয়ার গোপন স্বপ্ন তার, অন্যদিকে পরিবারের প্রত্যাশা—এই দুইয়ের টানাপোড়েনে পড়ে সে।

 

 

পশ্চিমবঙ্গের ৭

গোলন্দাজ [২০২১]

ভারতীয় ফুটবলের জনক নগেন্দ্রপ্রসাদ সর্বাধিকারীর বায়োপিক। ধ্রুব বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই ছবিতে নামভূমিকায় আছেন দেব। ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে ভারতীয়দের ফুটবল খেলার অধিকার এবং লড়াইয়ের গল্প নিয়ে ছবিটি।

 

এগারো [২০১১]

১৯১১ সালের আইএফএ শিল্ড জয়ের গল্পে নির্মিত অরুণ রায়ের ছবি। মোহনবাগান ক্লাবের খালি পায়ে ব্রিটিশ দলকে হারানো এবং স্বদেশি আন্দোলনের প্রেক্ষাপট ফুটে উঠেছে এতে।

 

ধন্যি মেয়ে [১৯৭১]

ফুটবল উন্মাদনা ও গ্রামবাংলার ফুটবল আবেগ নিয়ে অরবিন্দ মুখোপাধ্যায়ের কমেডি ঘরানার ছবি। উত্তম কুমার, জয়া ভাদুড়ি, সবেত্রী, রবি ঘোষ অভিনীত মজার একটি ছবি।

 

সাহেব [১৯৮১]

বিজয় বসুর এই ছবিতে তাপস পাল এক প্রতিভাবান কিন্তু অবহেলিত ফুটবলার। তার স্বপ্ন ও আত্মত্যাগের মর্মস্পর্শী গল্প।

 

লড়াই : প্লে টু লাইভ [২০১৫]

পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের ছবিটিতে সাবেক এক মদ্যপ ফুটবলার প্রসেনজিৎ। পুরুলিয়ার আদিবাসী ছেলেমেয়েদের কোচিং করিয়ে জীবনযুদ্ধে তাদের বিজয়ী করার মিশনে নামে।

 

মেসি [২০১৭]

রিঙ্গো বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবিটি দুই ভাইয়ের সম্পর্ক এবং ফুটবল ঘিরে তাদের আবেগের গল্প। অভিনয়ে আরিয়ান ভৌমিক, রণদীপ বোস, চৈতী ঘোষাল।

 

বাইসাইকেল কিক [২০১৪]

অন্তর্মুখী এক তরুণ ফুটবলারের গল্প। প্রতিভাবান এই খেলোয়াড়ের জীবনে মানসিক উত্তরণে ভূমিকা রাখে কোচ মোতিদা। অভিনয়ে ঋত্বিক চক্রবর্তী, রিধিমা ঘোষ, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়।

 

বলিউডের ৬

 

ময়দান [২০২৪]

ভারতীয় ফুটবল কোচ সৈয়দ আব্দুল রহিমের বায়োপিক। ভারতীয় ফুটবলের অন্যতম স্থপতি হিসেবে পরিচিত রহিম ১৯৫০ ও ১৯৬০-এর দশকে ভারতীয় দলকে একাধিক ঐতিহাসিক সাফল্য এনে দেন। অমিত শর্মার ছবিটিতে রহিমের চরিত্রে আছেন অজয় দেবগণ।

 

ঝুণ্ড [২০২২]

ভারতের নাগপুরের সমাজকর্মী বিজয় বরসের জীবন থেকে অনুপ্রাণিত। বিজয় একটি এনজিও প্রতিষ্ঠা করে বস্তির শিশুদের ফুটবলের মাধ্যমে নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখার সুযোগ করে দেন। বিজয়ের চরিত্রে আছেন অমিতাভ বচ্চন।

 

ধন ধনা ধন গোল [২০০৭]

যুক্তরাজ্যের অভিবাসীদের একটি দক্ষিণ এশীয় ফুটবল ক্লাবের গল্প। বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই করে নিজেদের স্থানীয় ক্লাবকে পুনরুজ্জীবিত করার সংগ্রাম। অভিনয়ে জন আব্রাহাম, আরশাদ ওয়ার্সি, বিপাশা বসু।

 

জাদুগর [২০২২]

ম্যাজিক দেখিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে ম্যাজিক মিনু। খেলাধুলায় তার বিশেষ দক্ষতা নেই। কিন্তু প্রিয় মানুষকে বিয়ে করতে হলে তাকে তার ফুটবল দলকে একটি টুর্নামেন্টের ট্রফি জিততে হবে। সমস্যা হলো, দলটি বহু বছর ধরে একটি ম্যাচও জিততে পারেনি।

 

হিপ হিপ হুররে [১৯৮৪]

পরিচালক প্রকাশ ঝার প্রথম ছবি। কম্পিউটার প্রকৌশলী সন্দীপ একটি একটি স্কুল ফুটবল দলের কোচিংয়ের দায়িত্ব নিয়ে তাদের ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে।

 

চিড়িয়াখানা [২০২৩]

মুম্বাইয়ের এক মারাঠি বস্তির বিহারি কিশোরকে ঘিরে গল্প। নিজের ফুটবল দক্ষতা কাজে লাগিয়ে সে বস্তির খেলার মাঠ রক্ষার লড়াইয়ে নামে।

 

 

ইরানের ২

 

অফসাইড [২০০৬]

বিশ্বখ্যাত জাফর পানাহি নির্মিত ছবিটি আন্তর্জাতিকভাবে বেশ প্রশংসিত, তবে ছবিটি ইরানে নিষিদ্ধ। রাজনৈতিক কমেডি-ড্রামাটিতে তিনি একদল তরুণী ইরানি নারীর গল্প তুলে ধরেছেন। ছেলেদের ছদ্মবেশ ধারণ করে তারা ইরান ও বাহরাইনের মধ্যকার ফিফা বিশ্বকাপের বাছাই পর্বের ম্যাচ দেখতে স্টেডিয়ামে প্রবেশের চেষ্টা করে। পানাহি নিজের মেয়ের জীবনের একটি ঘটনা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে ছবিটি নির্মাণ করেন।

 

বেইরো [২০২২]

ইরানের জাতীয় ফুটবল দলের গোলরক্ষক আলিরেজা বেইরানবান্দের বাস্তব জীবনের গল্প অবলম্বনে মোরতেজা আলি আব্বাস মিরজাইয়ের ছবি।

 

 

হংকংয়ের ৩

 

শাওলিন সকার [২০০১]

ফুটবল নিয়ে বিশ্বে যত চলচ্চিত্র আছে, স্টিফেন চাও অভিনীত ও পরিচালিত অ্যাকশন-কমেডিটি সবচেয়ে জনপ্রিয়। ফুটবলের সঙ্গে মার্শাল আর্টের দারুণ মিশ্রণ ঘটিয়ে এক অনন্য বিনোদনের ছবি এটি।

 

দ্য চ্যাম্পিয়নস [১৯৮৩]

এই ক্লাসিক অ্যাকশন-কমেডির গল্প এক গ্রাম্য তরুণের, যে শহরে এসে নিজের অ্যাক্রোবেটিক দক্ষতার কারণে একটি স্থানীয় ফুটবল দলে সুযোগ পায়। 

 

কুং ফু সকার [২০২৬]

‘শাওলিন সকার’-এর ২৫ বছর পর এই ছবি আনছেন স্টিফেন চাও। এ মাসেই ছবিটি মুক্তি পাওয়ার কথা। এবার থাকছে একটি নারী ফুটবল দলের চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের গল্প।

 

 

হলিউডের ৭

 

এস্কেপ টু ভিক্টরি [১৯৮১]

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানির একটি যুদ্ধবন্দি শিবিরে আটক মিত্রবাহিনীর বন্দিদের ঘিরে গল্প। এই বন্দি সেনারা জার্মান জাতীয় দলের বিপক্ষে একটি ফুটবল ম্যাচে অংশ নেওয়ার সুযোগ পায়। এই ম্যাচ জয়-পরাজয়ের ঊর্ধ্বে গিয়ে পরিণত হয় বেঁচে থাকার এক রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে। এতে অভিনয় করেছেন সিলভেস্টার স্ট্যালন, মাইকেল কেইন, কিংবদন্তি ফুটবলার পেলে।

 

গোল! দ্য ড্রিম বিগিনস [২০০৫]

ড্যানি কাননের এই ছবি নির্মিত হয়েছে সরাসরি ফিফার সহযোগিতায়। লস অ্যাঞ্জেলেসের রাস্তায় বেড়ে ওঠা প্রতিভাবান তরুণ ফুটবলার সান্তিয়াগো মুয়েজের গল্প। নিউ ক্যাসল ইউনাইটেড এফসির নজরে পড়ার পর সে পেশাদার ফুটবলার হওয়ার স্বপ্নে পাড়ি জমায় যুক্তরাজ্যে।

 

পেলে—বার্থ অব আ লিজেন্ড [২০১৬]

ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তিকে নিয়ে আমেরিকার চলচ্চিত্র। পেলের শৈশব, সংগ্রামের গল্প এবং বাবার সঙ্গে পেলের সম্পর্ক, যেটা তাঁর জীবনে ফুটবল মাঠে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।

 

বেন্ড ইট লাইক বেকহ্যাম [২০০২]

গুরিন্দর চাড্ডার এই ব্রিটিশ ছবিটির গল্প লন্ডনে বসবাসকারী ১৮ বছর বয়সী শিখ তরুণীকে ঘিরে। পরিবারের আপত্তি উপেক্ষা করে স্থানীয় একটি নারী ফুটবল দলে যোগ দেয় এবং নিজের স্বপ্নের পথে এগিয়ে যায়।

 

দ্য ড্যামড ইউনাইটেড [২০০৯]

ব্রিটিশ কিংবদন্তি ফুটবল কোচ ব্রায়ান ক্লফের জীবনীভিত্তিক ছবিটি সমালোচকরা বেশ পছন্দ করেছেন। ইংলিশ ক্লাব লিডস ইউনাইটেড এফসির হয়ে তাঁর ৪৪ দিনের বিতর্কিত কোচিং অধ্যায় তুলে ধরা হয়েছে ছবিটিতে।

 

শি’স দ্য ম্যান [২০০৬]

উইলিয়াম শেকসপিয়ারের নাটক ‘টুয়েলভথ নাইট’ অবলম্বনে নির্মিত এই রোমান্টিক কমেডি টিন স্পোর্টস ফিল্ম। এক তরুণী নিজের যমজ ভাইয়ের ছদ্মবেশ ধারণ করে ছেলেদের স্কুল ফুটবল দলে খেলার সুযোগ করে নেয়।

 

গ্রিন স্ট্রিট হুলিগানস [২০০৫]

যুক্তরাজ্যের ফুটবল মাস্তানি সংস্কৃতির সহিংস ও অন্ধকার দিক নিয়ে ছবিটি। এক মার্কিন কলেজ শিক্ষার্থীর চোখ দিয়ে ফুটবল সমর্থকদের উগ্র গোষ্ঠীগুলোর জগেক দেখানো হয়েছে।

 

 

দক্ষিণ  কোরিয়ান ৪

 

ড্রিম [২০২৩]

বদমেজাজি এক পেশাদার ফুটবলারের গল্প নিয়ে কমেডি-ড্রামাটি। দক্ষিণ কোরিয়ার গৃহহীনদের নিয়ে তৈরি জাতীয় ফুটবল দলকে প্রস্তুত করার প্রায় অসম্ভব দায়িত্ব পড়ে তার কাঁধে।

 

আ বেয়ারফুট ড্রিম [২০১০]

কোরিয়ান ফুটবলার কিম শিন হয়ানের জীবনের গল্প অবলম্বনে নির্মিত। দারিদ্র্য ও নানা সাংস্কৃতিক বাধা অতিক্রম করে তিনি পূর্ব তিমুরে গিয়ে সেখানকার খালি পায়ে খেলা স্থানীয় কিশোরদের নিয়ে একটি ফুটবল দল গড়ে তোলেন।

 

এফসি সোল্ডআউট [২০২৫]

লোকসানে চলা একটি পেশাদার ফুটবল ক্লাব কিনে নেয় এক এজেন্সি। তারা খেলোয়াড়দের দক্ষতার পরিবর্তে বিনোদনের উদ্দেশ্যে সুদর্শন অভিনেতাদের দলে অন্তর্ভুক্ত করে, যার ফলে শুরু হয় নানা নাটকীয় ঘটনা।

 

শুটিং গার্লস [২০২০]

দক্ষিণ কোরিয়ার এক কিশোরী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ফুটবল দলের সংগ্রামের গল্প। আর্থিক সংকট ও ব্যক্তিগত নানা বাধা পেরিয়ে তারা একসঙ্গে অনুশীলন করে, বন্ধুত্ব গড়ে তোলে এবং নিজেদের প্রিয় খেলায় টিকে থাকার লড়াই চালিয়ে যায়।

 

দক্ষিণ ভারতীয় ৪

 

সুদানি ফ্রম নাইজেরিয়া [মালয়ালাম, ২০১৮]

জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত মালয়ালাম ছবিটি এক নাইজেরিয়ান ফুটবলারকে ঘিরে, যিনি খেলতে গিয়ে আহত হয়ে কেরালায় আটকে পড়েন।

 

ক্যাপ্টেন [মালয়ালাম, ২০১৮]

ভারতীয় জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক ভি পি সত্যয়নের বায়োপিক।

 

বিগিল [তামিল, ২০১৯]

এক সাবেক ফুটবলারের গল্প, যিনি চাপে পড়ে একটি নারী ফুটবল দলের কোচ হন। এই চরিত্রে আছেন বিজয় থালাপতি।

 

জাডা [তামিল, ২০১৯]

চেন্নাইয়ের ‘সেভেন্স’ ফুটবল সংস্কৃতিকে ঘিরে ছবিটি। স্থানীয় ফুটবল, প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও প্রতিশোধের গল্প।

 

সিনেবিশ্বে ফুটবল

প্রশংসিত ‘এস্কেপ টু ভিক্টরি’র দৃশ্যে সিলভেস্টার স্ট্যালন

 

 

 

 

পাঠক

পাঠক

আপনার লেখা এমনকি ছবিও ছাপা হতে পারে রঙের মেলায়। বিনোদনজগতের সাম্প্রতিক যে ঘটনাটি আপনার মনে দাগ কেটেছে, সে বিষয়ে মূল্যবান মতামত দিন। লিখতে পারেন প্রিয় তারকাকে নিয়েও। কোনো চলচ্চিত্র, সংগীত, টিভিনাটক বা মঞ্চনাটকের গঠনমূলক সমালোচনা করতে পারেন। সুলিখিত হলে অবশ্যই তা ছাপা হবে।

প্রিয় তারকার সঙ্গে ছবি তোলা বা তাঁর অটোগ্রাফ নেওয়া অনেকের শখ। আপনার সংগ্রহে যদি সে রকম কোনো ছবি বা অটোগ্রাফ থাকে সেই ছবি ও অটোগ্রাফের সঙ্গে নেপথ্যের গল্প লিখে পাঠাতে পারেন আমাদের কাছে।

লেখা ও ছবি পাঠানোর নিয়ম

♦ পৃষ্ঠার এক পাশে লিখুন  

♦ লিখতে হবে ৩০০ শব্দের মধ্যে

অটোগ্রাফ বা ছবির অনুলিপি পাঠাতে হবে।

♦ ছবি ও অটোগ্রাফ সংগ্রহের স্থান, সময় উল্লেখ করতে ভুলবেন না

♦ লেখার নিচে লেখকের ই-মেইলসহ [থাকলে] পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা লিখুন

♦ ই-মেইলে লেখা পাঠানোর ঠিকানা : [email protected]

♦ ডাকে পাঠানোর ঠিকানা :

  রঙের মেলা, কালের কণ্ঠ
বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, ঢাকা-১২২৯ 

শুভ জন্মদিন

শুভ জন্মদিন
জয়া আহসান ছবি : সংগৃহীত

সপ্তাহে যাঁদের জন্মদিন

[২৫ জুন২ জুলাই]

সাবরিন সাকা মীম, সৈয়দ বাবু,

সিদ্দিকুর রহমান [২৫ জুন]

আশুতোষ সুজন [২৬ জুন]

অপূর্ব, স্মৃতি ফামি [২৭ জুন]

আরজে নীরব [২৯ জুন]

রাহুল আনন্দ, মোস্তফা প্রকাশ [৩০ জুন]

 সৈয়দ আব্দুল হাদী, জয়া আহসান, বিউটি দাস, সৈয়দ আহমেদ শাওকী, শরাফ আহমেদ জীবন [১ জুলাই]

তমালিকা কর্মকার, বেলাল খান,

নিরব হোসেন [২ জুলাই]